বৃহস্পতিবার, ১৯ মে ২০২২ খ্রীষ্টাব্দ | ৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

ব্রিজের কাছে বস্তাবন্দি কে এই চিত্রনায়িকা শিমু?



ঢাকার কেরানীগঞ্জে ব্রিজের কাছ থেকে মিলল ঢাকাই ছবির চিত্রনায়িকা রাইমা ইসলাম শিমুর (৩৫) বস্তাবন্দি লাশ। ঘটনাটি ঘিরে উত্তাল হয়ে উঠেছে বিএফডিসি।

এরই মধ্যে কে এই নায়িকা শিমু জানতে কৌতূহল প্রকাশ করেছেন অনেকে। জানা গেছে, প্রথমসারির কোনো অভিনেত্রী না হলেও দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে অভিনয়ের সঙ্গে জড়িত ছিলেন শিমু। ৫০টিরও বেশি সিনেমায় অভিনয় করেন তিনি। শুধু রূপালি পর্দায় নয়; ছোট পর্দায়ও শিমুর পদাচরণ ছিল। বহু নাটকে দেখা গেছে তাকে।

মৌসুমি, শাবনূর, পূর্ণিমাদের মতো জনপ্রিয় অভিনেত্রী না হলেও শিমু অভিনয় করেছেন জনপ্রিয় সব অভিনেতার বিপরীতে।

চিত্রনায়ক রিয়াজ, অমিত হাসান, বাপ্পারাজ, জাহিদ হাসান, মোশারফ করিম, শাকিব খানের বিপরীতে স্ক্রিন শেয়ার করেন এ নায়িকা৷

১৯৯৮ সালে কাজী হায়াৎ পরিচালিত ‘বর্তমান’ সিনেমা দিয়ে ঢাকাই ছবিতে অভিষেক হয় রাইমা ইসলাম শিমুর। শুধু কাজী হায়াতই নয়; বাংলাদেশের অনেক গুনী পরিচালকের সঙ্গে কাজ করেছেন শিমু।

সে তালিকায় রয়েছেন – চাষী নজরুল ইসলাম, পরিচালক দেলোয়ার জাহান ঝন্টু, এ জে রানা, শরিফুদ্দিন খান দ্বীপু, এনায়েত করিম, শবনম পারভীন।

অভিনয়ের পাশাপাশি প্রযোজক হিসেবেও সক্রিয় ছিলেন তিনি।

শিমু বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সদস্য ছিলেন। মিশা-জায়েদের সমিতি থেকে বাদ পড়া ১৮৪ জন সদস্যদের একজন তিনি। ভোটাধিকার ফিরে পাওয়ার আন্দোলনে তিনি ছিলেন সক্রিয়।

শিমুর ফেসবুক পেজে দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, একটি বাণিজ্যবিষয়ক সাময়িকী, একটি বেসরকারি টেলিভিশনের বিপণন বিভাগে কাজ করার পাশাপাশি একটি প্রোডাকশন হাউজ চালাতেন এই অভিনেত্রী।

এদিকে শিমু হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে ঢাকাই ছবির চিত্রতারকা জায়েদ খানকে জড়িয়ে নানা গুঞ্জন চলছে।

যদিও নিহত শিমুর ভাই বোনের হত্যায় তার স্বামী শাখাওয়াত আলী নোবেলকেই দায়ী করছেন।

জায়েদ খানের দাবি, নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বীরা ঘটনাটিকে পুঁজি করছে এবং তাকে শিমু হতাকাণ্ডে জড়ানোর অপচেষ্টা করা হচ্ছে।

মঙ্গলবার ভোরেই গণমাধ্যমকর্মীদের মুখোমুখি হয়ে জায়েদ খান জানান, ঘটনার ১২দিন আগে শিমুর সঙ্গে তার ঝগড়া হয়েছে বলা হলেও গত দুই বছরে তার সঙ্গে শিমুর কোনো যোগাযোগ ছিল না।