মঙ্গলবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২২ খ্রীষ্টাব্দ | ৫ মাঘ ১৪২৮ বঙ্গাব্দ

একদিকে বৃষ্টি, অন্যদিকে হিমশীতল বাতাসে নাকাল দেশবাসী



 

ঘূর্ণিঝড় জাওয়াদ কেটে গেছে। বর্তমানে লঘুচাপের প্রভাবে কোথাও গুঁড়িগুঁড়ি, কোথাও মাঝারি ধরনের বর্ষণ হচ্ছে। রয়েছে পাঁচ বিভাগে ভারী বর্ষণের আভাস। একদিকে বৃষ্টি, অন্যদিকে হিমশীতল বাতাসে নাকাল দেশবাসী। বৃষ্টির মধ্যেই সাধারণ মানুষকে গরম কাপড় গায়ে চেপে বেরুতে হচ্ছে বাইরে। রাজধানীতে টানা বৃষ্টিতে অনেক জায়গায় সৃষ্টি হয়েছে জলাবদ্ধতা। রাস্তায় সৃষ্টি হয়েছে যানজট। ফলে ভোগান্তিতে পড়েছে মানুষ।

আবহাওয়াবিদ ড. মুহাম্মদ আবুল কালাম মল্লিক জানিয়েছেন, উত্তরপশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন পশ্চিমবঙ্গ-বাংলাদেশ উপকূলীয় এলাকায় অবস্থানরত সুস্পষ্ট লঘুচাপের প্রভাবে আজ (০৬ ডিসেম্বর) সকাল ১০ টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে খুলনা, রাজশাহী, ঢাকা, বরিশাল ও চট্রগ্রাম বিভাগের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী (২২-৪৩ মি.মি.) থেকে ভারী (৪৪-৮৮ মি.মি.) বর্ষণ হতে পারে।

সুস্পষ্ট লঘুচাপের প্রভাবে উত্তর বঙ্গোপসাগর ও বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকায় গভীর সঞ্চারণশীল মেঘমালা সৃষ্টি অব্যাহত রয়েছে এবং বায়ু চাপের তারতম্যের আধিক্য বিরাজ করছে। উত্তর বঙ্গোপসাগর ও বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকায় ঘণ্টায় ৪০-৫০ কি. মি. বেগে অস্থায়ী দমকাঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি ও বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এই অবস্থায় চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মংলা ও পায়রা সমুদ্র বন্দরসমূহকে ৩ (তিন) নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।

এছাড়া উত্তর বঙ্গোপসাগর ও গভীর সাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত নিরাপদ আশ্রয়ে থাকতে বলা হয়েছে।